The Death of Socretes (1787) by Jacques-Louis David

সক্রেটিসের জীবনের শেষ কয়েকটি ঘণ্টা

সক্রেটিসের জীবনের শেষ কয়েকটা ঘণ্টা ও তাঁর শেষ সময়ের ভাবনা আমাকে বেশ নাড়া দিয়েছে। সক্রেটিস নিজে কোন বই লেখেননি। তাই প্লেটোর “ডায়লোগস” ভরসা। তিনি কাব্যের চেয়েও মনোরম গদ্যে সে কাহিনী বর্ণনা করেছেন। এটা থেকে সেই ক্ষণের বিবরণ পাওয়া যায়। সক্রেটিস দর্শনের প্রথম শহীদ। স্বাধীন চিন্তার প্রয়োজন ও অধিকার প্রকাশের জন্য তিনি জীবন দিয়েছেন। তিনি গণতন্ত্রবিরোধী

কৃষ্ণজন্মাষ্টমী- শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন

আজ কৃষ্ণজন্মাষ্টমী। শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ ঠিক কবে, কোন তারিখে জন্মগ্রহণ করেন সে বিষয়ে কোন ঐতিহাসিক দলিল পাওয়া যায় না। সম্পদ দাশের “বাসুদেব শ্রীকৃষ্ণ”, শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী অনূদিত “লীলা-পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণ”, বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের “কৃষ্ণচরিত্র”, ডঃ দীপক চন্দ্র সম্পাদিত “হরিবংশ”, ‘মহাভারত’, ‘ভাগবতপুরাণ’, ‘বিষ্ণুপুরাণ’ কোনটাই এ তথ্য দিতে পারেনি। তবে হিন্দু পঞ্জিকার হিসেব অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী

ধর্মনিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বাংলাদেশ

বাঙালি ধর্মপ্রাণ জাতি এবং বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। আমাদের মহান সংবিধানের ২ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- “প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন”৷ ৪১ (ধর্মীয় স্বাধীনতা) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে – “(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার

রমেশ শীল

ইস্কুল খুইলাছেরে মাওলা, ইস্কুল খুইলাছে

“ইস্কুল খুইলাছেরে মাওলা, ইস্কুল খুইলাছে গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী ইস্কুল খুইলাছে।” – ছেলেবেলায় এমনও দিন গেছে যে সারাদিন এ গান গেয়েছি। অবশ্য এই দু’লাইন মাত্র। গানটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন পপ শিল্পী জানে আলম। তাঁর আরও একটা গান খুব জনপ্রিয় ছিল- ‘একটি গন্ধমের লাগিয়া, আল্লায় বানাইছে দুনিয়া’। কখনও জানা হয়নি “ইস্কুল খুইলাছে” গানটি কোথা থেকে এল। সে

সিফিনের যুদ্ধ

বিষের কারণে হযরত ইমাম হাসান (রাঃ) এর মৃত্যু নিয়ে আমার বেসুরো বয়ান

হযরত ইমাম হাসান (রাঃ) বিষের প্রতিক্রিয়ায় মারা যান। কে তাঁকে বিষ দিল? কি বিষে তিনি মারা গেলেন?  হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর প্রিয় নাতি (যার ঠোঁটে তিনি চুমু খেতেন, পিঠে চড়াতেন, কোলাকুলি করতেন) ও ‘জান্নাতে যুবকদের সর্দার’ কেন বিষপ্রয়োগে মারা গেলেন? কি ছিল সেই ঘটনার পেছনের ঘটনা? এসব জানতে প্রথমে বেশ কিছু বক্তার ভিডিও দেখি। গোটা

Vocabulary

শব্দরহস্যভেদ-৩: Complementary, Supplementary, Bumfuzzle, Bailiwick ও Backbiting এর রহস্যভেদ

Complementary (পরিপূরক) ও Supplementary (সম্পূরক) ইংরেজির Complementary ও Supplementary শব্দ দুটি প্রায়শঃ ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়। এর মূল কারণ আমরা এ দুটি শব্দের অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করি না। Complementary হল পরিপূরক, অর্থাৎ যা পূর্ণতা প্রদান করে। উদাহরণ হিসেবে সংসার শব্দটির কথা বলা যায়। সংসার শব্দটির মধ্যে স্বামী ও স্ত্রী শব্দ দুটি লুকানো থাকে। সংসারে স্বামী ও

বাংলার বাদ্যযন্ত্র

বাংলার বাদ্যযন্ত্র – একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বাংলার বাদ্যযন্ত্র ও সঙ্গীত বাংলা সংস্কৃতির সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বাংলার বাদ্যযন্ত্র চার ভাগে বিভক্ত। (১) ততবাদ্য, (২) শুষিরবাদ্য, (৩) আনদ্ধ বাদ্য, ও (৪) ঘনবাদ্য। যেসব বাদ্যযন্ত্রে তার থেকে ধ্বনি উৎপত্তি হয় তাকে তত্‍বাদ্য বলে। এদের মধ্যে কিছু অঙ্গুলি, মিজরার দ্বারা আঘাতের ফলে ধ্বনির উৎপত্তি করে; যেমন- বীণা, সেতার, তানপুরা, সরোদ ইত্যাদি। অন্যগুলোতে ছড়ি বা ছড়

বাইজানটাইন-সাম্রাজ্য

বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতন

বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের উত্থান হয় পশ্চিম রোমক সভ্যতার পতনের সূচনা থেকে। রোমক সম্রাট ডাইক্লিশান ২৮৫ সালে প্রথম রোমক সাম্রাজ্যকে প্রথম পূর্ব ও পশ্চিমে বিভক্ত করে। পরে তিনি আবার ২৯৩ সালে একে চার ভাগে বিভক্ত করে চার জন সম্রাটের রাজ্যভূক্ত করে। চার ভাগে বিভক্ত এ রোমক সাম্রাজ্যের ফ্রান্স থেকে বৃটেন পর্যন্ত অঞ্চলের সম্রাট কনসট্যানটিআসের মৃত্যুর পরে পুত্র

চার ভাগে ভিভক্ত রোমক সাম্রাজ্য

রোমক সাম্রাজ্যের পতনঃ রোমক সভ্যতার ইতিহাস (৪র্থ ভাগ)

চার সম্রাটের এক বছর (৬৮-৬৯) নেরোর মৃত্যুর পরে রোমে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এ বছরের মধ্যে একে একে তিন জন সম্রাট হয়ে রোমের সিংহাসনে বসে, কিন্তু কেউ টিকতে পারেনি। প্রথমে এলেন নিয়োগকৃত হিস্পানিয়াতে (বর্তমান স্পেন) রোমের গভর্নর গালবা। টিকলেন মাত্র সাত মাস। গালবাকে হত্যা করে ক্ষমতায় এলেন নেরোর পুরাতন রাজ সহচর- অথো। অথো ছিলো নেরোর স্ত্রী

ক্যালিগুলার শাসনামলে রোমক সাম্রাজ্য

রোমক সাম্রাজ্যঃ রোমক সভ্যতার ইতিহাস (৩য় ভাগ)

রোমক সাম্রাজ্য সূচনা করে অগাস্টাস। ১৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত অগাস্টাস রোমক সাম্রাজ্যের সম্রাট ছিলেন। সে আনুষ্ঠানিক ভাবে রোমক গণপ্রজাতন্ত্র বিলুপ্ত করেনি। ক্ষমতায় এসে সে পুনরায় সিনেট প্রতিষ্ঠা করে। তবে নিজেকে সিনেটের সর্বক্ষমতার উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। সে সিনেটের যেকোনো সিদ্ধান্তে ‘ভেটো’ দিতে পারতো। তার পদবী ছিলো ‘প্রিন্সেপস সেনাটাস’ (princeps senatus) বা প্রথম সিনেটর। সে প্রায় ৮২টি মন্দির নির্মাণ করে। রোমের

ওটজি বা বরফ মানব

ওটজি বা বরফ মানব: জীবন্ত ও অভিশপ্ত এক মমি

ওটজি বললে অনেকেই চিনবেন না। কিন্তু যদি বলি ‘আইসম্যান’ বা ‘বরফ মানব’ তাহলে হয়তো অনেকেই চিনবেন বা বলবেন হ্যাঁ নাম শুনেছি। 1 ১৯ শে সেপ্টেম্বর ১৯৯১ সালে আইসম্যানকে খুঁজে পাওয়ার পরে দুনিয়া জুড়ে প্রচুর হৈ চৈ হয়েছিলো। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হয়েছে। আজ থেকে পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে এই পৃথিবীতে বরফ মানবের চলাফেরা

অগ্নিপ্রপাত-firefall

অগ্নিপ্রপাত- আগুনের ধারা বহিছে ভূবনে

অগ্নিপ্রপাত (Firefall!) বা ঝর্ণার মতো আগুনের ধারা পড়তে দেখেছেন কখনো? ভাবুন তো, জলপ্রপাত মতো দেখতে কোন একটি স্থান হতে পানির বদলে আগুন ঝরে পড়ছে? ব্যাপারটা অবাক করার মতো, তাই না? চলুন, ঘুরে আসি অসাধারণ এই অগ্নিপ্রপাত থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ইয়োসেমাইট ন্যাশনাল ভ্যালির এল ক্যাপিটানের পূর্ব প্রান্তে এই জলপ্রপাতটি অবস্থিত। এর আসল নাম হর্সটেইল জলপ্রপাত। এটি

Juanita-হুয়ানিতা

হুয়ানিতা ধর্মের নিষ্ঠুরতার এক কালসাক্ষী

হুয়ানিতা ধর্মের নিষ্ঠুরতার এক কালসাক্ষী। হুয়ানিতার মমি ধর্মের নামে নারী বলিদানের বিরুদ্ধে এক নিরব প্রতিবাদের প্রতিকস্বরূপ আজও টিকে আছে। ৮ই সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ জোহান রেইনহার্ড এবং তার সহকারী মিগুয়েল জারাতে পেরুর আরেকিপায় অবস্থিত মাউন্ট এমপাটোর ২০,৬৩০ ফুট চুড়ায় উঠেন।তাদের লক্ষ্য ছিলো জীবন্ত আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ করা এবং সেই সাথে পর্বতের চূড়ায় আচ্ছাদিত বরফ কি ভাবে

উইলিয়াম জেমস সাইদিস- এক নক্ষত্রের নিরব পতন

উইলিয়াম জেমস সাইদিস- উজ্জ্বল এক নক্ষত্রের নিরব পতন

উইলিয়াম জেমস সাইদিস নামে কোন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম কি আমরা শুনেছি? অধিকাংশ মানুষই বলবে, না। এ নামে কাউকে চিনি না। অথচ, এ মানুষটি আইনস্টাইন, নিউটনের চেয়েও অধিক প্রতিভাবান ছিলো। বিজ্ঞান বলে, এখনকার সাধারণ মানুষের গড় আইকিউ ৯০ থেকে ১০৯ এর মধ্যে। যাদের আইকিউ সবচে’ খারাপ তাদেরটা ৬৯ বা তার নীচে; অন্যদিকে যাদের খুব বেশি তাদের

নোকিয়া- মোবাইল হ্যান্ডসেটের জগতে শীর্ষ থেকে নিঃস্ব হওয়ার করুণ কাহিনী

নোকিয়া- শীর্ষ থেকে নিঃস্ব হওয়ার করুণ কাহিনী

নোকিয়া ছিল ফিনল্যান্ডের বিশ্ববিখ্যাত বহুজাতিক কোম্পানি। এই এক দশক আগেও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিতে নোকিয়া সারা বিশ্বে দাপিয়ে ব্যবসা করেছে। মোবাইল ফোনের ব্যবসায় নোকিয়া সারা বিশ্বকেও জয় করেছে। এমনকি বাংলাদেশে নোকিয়া এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে এক সময় সবাই বলতো, ‘ফোনের রাজা নোকিয়া’। নোকিয়া বয়স অনেক। দেড় শতাব্দী ধরে টিকে আছে এ কোম্পানি। কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৫

বর্ণবাদ ও বাঙালি আজন্মকাল একসূত্রে গাঁথা

বর্ণবাদ ও বাঙালি আজন্মকাল একসূত্রে গাঁথা

বর্ণবাদ নিয়ে মাঝে মধ্যেই শোরগোল হয়। কয়েকদিন আগে আমেরিকার মিনিসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে ড্রেক শোয়িনসহ কয়েকজন শেতাঙ্গ পুলিশ কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে প্রায় নয় মিনিট ধরে হাঁটুর নিচে চেপে রেখেছিল। ফলে মৃত্যু তার হয়। ঘটনাটি নিয়ে আমেরিকা থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’শ্লোগানে সামাজিক আন্দোলন চলছে। বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ আন্দোলন উত্তাপ ছড়িয়েছে।

হানিবালের-রোম-আক্রমণ

রোমক গণপ্রজাতন্ত্রঃ রোমক সভ্যতার ইতিহাস (২য় ভাগ)

রোমক গণপ্রজাতন্ত্র (৫০৯-২৭ খ্রি.পূ.) খ্রিস্টপূর্ব ৫০৯ সালে রোমকরা রাজতন্ত্র থেকে গণপ্রজাতন্ত্রের যুগে পদার্পণ করে। রোমক গণপ্রজাতন্ত্র S.P.Q.R নামে পরিচিত ছিল। S.P.Q.R বলতে Senātus Populusque Rōmānus বোঝায়। এর অর্থ ‘রোমক সিনেট ও জনগণ’। রোমক গণপ্রজাতন্ত্রের সংবিধান অনুসারে রোমের শাসন ব্যবস্থায় তিনটি বিভাগ ছিল- বিধানসভা (assembly), সিনেট ও ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাহী প্রশাসনের সর্বোচ্চে ছিল দুই কনসাল (consul)। বিধানসভার

কারোলি তাকাকসঃ স্বপ্নের হাতে অঙ্গীকারের ট্রিগার

কারোলি তাকাকসঃ স্বপ্নের হাতে অঙ্গীকারের ট্রিগার

কারোলি তাকাকসঃ এক হাত নিয়ে দুইবার অলিম্পিকে স্বর্ণ জয় কারোলি তাকাকস (১৯১০-১৯৭৬) ছিল হাঙ্গেরিয় সেনাবাহিনীর সবচেয়ে দক্ষ ডানহাতি স‍্যুটার। সে সময়ে হাঙ্গেরির জাতীয় পর্যায়ের সবগুলো স‍্যুটিং প্রতিযোগিতায় সে ছিল অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন। তাকাকসের অলিম্পিকে সোনা জয়ের স্বপ্ন ছিল। ১৯৩৬ সালে সার্জেন্ট তাকাকস বিশ্বমানের একজন পিস্তল-স‍্যুটার। তবে কমিশনড অফিসার না হওয়ার কারণে হাঙ্গেরি তাঁকে ৩৬ সালের অলিম্পিকে

রোমুলাস ও রেমুস ব্রোঞ্জমূর্তি (৫০০-৪৮০ খ্রি.পূ.)

রোমক সভ্যতার উত্থানঃ রোমক সভ্যতার ইতিহাস (১ম ভাগ)

রোমক সভ্যতার ইতিহাস বলতে গেলে বলতে হবে প্রায় সাড়ে বাইশ শত বছর আগের কথা। ভূ-মধ্য সাগরের উত্তরের তীর ঘেঁষে ছোট একটি শহর গড়ে উঠেছিল। নাম রোম। এই রোম শহরকে এক সময় ‘বিশ্বের রাজধানী’ বলা হতো। অনেকে একে বিশ্বের প্রথম রাজকীয় শহর, প্রথম মেট্রোপলিটন শহরও বলে থাকে। এই শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল রোমক রাজ্য, রোমক

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ- অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ (শেষ ভাগ)

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ: অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ (শেষ ভাগ)

গ্রিক দেব-দেবীদের জন্ম ও বংশপরিচয়ঃ অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ গ্রিক পুরাণের সহজপাঠে পূর্বে আরো দুটি অধ্যায় রয়েছে। প্রথমটিতে গ্রিক পুরাণের আদিম দেব-দেবীগণ এবং দ্বিতীয়টিতে তিতান দেব-দেবীগণের পরিচয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আজকের এই শেষ পর্বে গ্রিক পুরাণের তৃতীয় প্রজন্ম তথা অলিম্পিয়ান দেব-দেবীদের পরিচয় তুলে ধরা হলো। গ) গ্রিক অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ গ্রিক পুরাণের দেব-দেবীদের দ্বিতীয় ভাগে বলা হয়েছে, ক্রোনাস

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ- দেব-দেবীদের কুণ্ডলী (২য় ভাগ)

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ: তিতান দেব-দেবীগণ (২য় ভাগ)

গ্রিক দেব-দেবীদের জন্ম ও বংশপরিচয়ঃ তিতান দেব-দেবীগণ গ্রিক পুরাণের সহজপাঠের প্রথম ভাগে গ্রিকদের আদিম দেব-দেবীদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। দ্বিতীয় ভাগে থাকছে তিতানদের নিয়ে আলোচনা। তিতানরা গ্রিকদের তিন প্রজন্মের দেব-দেবীদের মধ্যে দ্বিতীয় প্রজন্ম।    খ) গ্রিক তিতান দেব-দেবীগণ বারো জন তিতানদের ছয়টি যুগল। জোড়ায় জোড়ায় এই যুগল তিতানরা হলো-অশিয়ানোস (Oceanus) ও তেথুস (Tethys), হাপেরিয়ন ও থেইয়া, কয়উস (Coeus) ও ফয়বে (Phoebe), ক্রোনাস (Cronos)

পারস্য সাম্রাজ্য (আকিমানিদ) (৫৪০ খ্রি.পূ)

পারস্য সভ্যতা- উত্থান ও বিকাশ (১ম ভাগ)

পারস্য সভ্যতা: আকিমানিদ সাম্রাজ্য-মেসিডোনিয় শাসন-জরথুস্ত্রবাদ-সিলুসিদ শাসন পারস্য সভ্যতা মেসোপটেমিয়ারনব্য ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্য ও মিশরের কুশাইট রাজ্য করায়ত্ত্ব করে প্রায় অর্ধ-পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত হয়েছিল।   মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের পূর্বের উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চল হতে পারস্য সভ্যতার উত্থান হয়। বর্তমান ইরানের আগের নামও পারস্য। তবে এখন ইরান বলতে যে ভূখণ্ড বোঝায়, পারস্য বললে তার থেকে বহুগুণ বড় এক অঞ্চল বোঝাত।  খ্রিস্টপূর্ব

আদ্রে মুনসন

আদ্রে মুনসন- ভাগ্যের পরিহাসে ভাগ্যবতী দেবী

আদ্রে মুনসন- এক ঝলকে জ্বলে নিভে যাওয়া এক নক্ষত্র। ভূগোলের ভাষায় “মৌসুমি বায়ু” বলে একটি বিষয় আছে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ মৌসুমি বায়ু প্রবাহের দিকও পরিবর্তিত হয়। এই মৌসুমি বায়ুর ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘মনসুন’ (Monsoon)। এটি মূলত আরবি শব্দ ‘মাওসিম’ (mawsim) থেকে এসেছে। আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম সুপার মডেলের নাম আদ্রে মুনসন (Audrey Munson)। আদ্রে মুনসনের

মানচিত্রে মহাভারত মহাকাব্যের স্থানসমূহ

মহাভারত মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্রাভিধান

মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ মহাভারত ও রামায়ণ মহাকাব্যের মতো হিন্দু পুরাণগুলোতে দুটি শক্তিশালী রাজবংশের পরিচয় পাওয়া যায়- সূর্য বংশ ও চন্দ্র বংশ। সূর্য বংশকে ঘিরে রামায়ণ আর চন্দ্র বংশকে ঘিরে মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রাবিধান তৈরী হয়েছে। তাই রামায়ণ ও মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রগুলো বোঝার জন্য সূর্যবংশ ও চন্দ্রবংশ সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। তবে সূর্য ও চন্দ্র

এক্সোডাস ম্যাপ

ফারাও শাসনের পুনরুত্থান (মিশরীয় সভ্যতা- ২য় ভাগ)

ফারাও শাসনের পুনরুত্থান: ফারাও-আকিমানিদ-আক্সুমাইট ফারাও শাসনের পুনরুত্থান ঘটায় ১ম আহমোসিস। তিনি হাইকসস শাসনের (১৫, ১৬ ‍ও ১৭তম বংশ) অবসান ঘটিয়ে মিশরের শাসন পুনরায় মিশরীয়দের হাতে ফিরিয়ে আনে। থিবজ শহরকে কেন্ত্র করে সে অষ্টাদশ বংশের (১৫৫০–১২৯২ খ্রি.পূ.) প্রতিষ্ঠা করে। এ বংশের অন্যান্য ফারাওদের মধ্যে হ্যাতশেপসুট, আকনাথুন (৪র্থ আহমুনহোথেপ) ও তাঁর স্ত্রী নেফারতিতি ও তুতানখামুনের নাম উল্লেখযোগ্য।