মানচিত্রে মহাভারত মহাকাব্যের স্থানসমূহ

মহাভারত মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্রাভিধান

মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ মহাভারত ও রামায়ণ মহাকাব্যের মতো হিন্দু পুরাণগুলোতে দুটি শক্তিশালী রাজবংশের পরিচয় পাওয়া যায়- সূর্য বংশ ও চন্দ্র বংশ। সূর্য বংশকে ঘিরে রামায়ণ আর চন্দ্র বংশকে ঘিরে মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রাবিধান তৈরী হয়েছে। তাই রামায়ণ ও মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রগুলো বোঝার জন্য সূর্যবংশ ও চন্দ্রবংশ সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। তবে সূর্য ও চন্দ্র

এক্সোডাস ম্যাপ

ফারাও শাসনের পুনরুত্থান (মিশরীয় সভ্যতা- ২য় ভাগ)

ফারাও শাসনের পুনরুত্থান: ফারাও-আকিমানিদ-আক্সুমাইট ফারাও শাসনের পুনরুত্থান ঘটায় ১ম আহমোসিস। তিনি হাইকসস শাসনের (১৫, ১৬ ‍ও ১৭তম বংশ) অবসান ঘটিয়ে মিশরের শাসন পুনরায় মিশরীয়দের হাতে ফিরিয়ে আনে। থিবজ শহরকে কেন্ত্র করে সে অষ্টাদশ বংশের (১৫৫০–১২৯২ খ্রি.পূ.) প্রতিষ্ঠা করে। এ বংশের অন্যান্য ফারাওদের মধ্যে হ্যাতশেপসুট, আকনাথুন (৪র্থ আহমুনহোথেপ) ও তাঁর স্ত্রী নেফারতিতি ও তুতানখামুনের নাম উল্লেখযোগ্য।

ছিন্নমস্তক মেডুসা

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ: আদিম দেব-দেবীগণ (১ম ভাগ)

গ্রিক দেব-দেবীদের জন্ম ও বংশপরিচয়ঃ আদিম দেব-দেবীগণ সময়ের সাথে বিশ্বাস বদলে যায়। জিউস, এপোলো, আফ্রোদিতি, কিউপিড প্রভৃতি গ্রিক বা রোমক দেব-দেবীদের নিয়ে আজ আমরা অনেক হাসি-ঠাট্টা করি, মজা করি। কিন্তু তিন থেকে চার হাজার বছর আগে তেমনটি ছিলো না। মানুষ তাদেরকে বিশ্বাস করতো, সর্বশক্তিময় বলে জানতো, পূজা-অর্চনা করতো।  অথচ, হায়রে সময়! কে বলতে পারে তিন

চিত্রশিল্পে সাতার ও নিমফ

শব্দরহস্যভেদ-২: Nymphomaniac, Satyromaniac, Narcissist, Echo, Draconian এর বুৎপত্তি ইতিহাস

Nymphomaniac বা পুরুষাক্ত নারী ফেসবুকে বিভিন্ন মানুষের আইডি হিসেবে সবচেয়ে বেশি যে বাংলা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তা হলো- “পরী”। ফেসবুক ঘাটলে সব রঙের পরী (যেমন- ‘লাল পরী’, ‘নীল পরী, ‘সাদা পরী’ …..), সব স্থানের পরী (যেমন- ‘জলপরী’, ‘স্বপ্নপরী’, ‘বনপরী’…..) পাওয়া যায়। “পরী” শব্দটি কেন আইডি হিসেবে এত বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে তা একটি রহস্য থাকতে পারে।

দেবতা এ্যাটলাস

শব্দরহস্যভেদ-১: Bluetooth, Pandora’s box, Atlas, FUCK ও Groggy এর বুৎপত্তি ইতিহাস

Bluetooth বা নীলদাঁত দশম শতকে ডেনমার্ক ও নরওয়ে অঞ্চলে ভাইকিংসসহ বেশ কিছু যাযাবর জাতি বাস করতো। তাদের পরস্পরের মধ্যে ঝামেলা লেগেই ছিলো। তখন এক রাজা বিবদমান জাতিগুলোকে একত্রিত করে ডেনমার্ক ও নরওয়েকে মিলিয়ে এক রাজ্য গড়ে তোলেন। এই রাজার নাম ছিল হ্যারল্ড ব্লুটুথ (Harald Bluetooth)। এ রাজার নাম থেকে bluetooth এর নামকরণ করা হয়। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান

হায়ারোগ্লিফিক্স

ফারাও শাসনের উত্থান ও বিকাশ (মিশরীয় সভ্যতা- ১ম ভাগ)

ফারাও শাসনের উত্থান ও বিকাশ: ফারাও- কুশাইট মিশরীয় সভ্যতা পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রাচীনতম সভ্যতা। বিশ্বের দীর্ঘতম আফ্রিকার নীল নদের অববাহিকায় এ সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে দশটি দেশ পার হয়ে সর্বশেষে মিশর অতিক্রম করে নীল নদ ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়। মিশরের মধ্য দিয়ে এ নদের প্রবাহকে কেন্দ্র করে প্রাচীন মিশরকে দুই ভাগে

হরুসের চোখ

ডাক্তারের পেসক্রিপশনে Rx কী বোঝায়?

ডাক্তারের পেসক্রিপশনে লেখা Rx– বুৎপত্তি ও অর্থ ডাক্তারের পেসক্রিপশনে Rx লেখা প্রতীকটি আমাদের বেশ পরিচিত। ডাক্তারের যেকোন পেসক্রিপশন বা ব্যবস্থাপত্রের দিকে তাকালে এই শব্দ যুগল আমাদের চোখে পড়ে। কারো কারো মনে হয়তো কখনও এ প্রশ্নটি উঁকি দিয়েছে, কি এই Rx? Rx-এর R এর অর্থ ‘রেসিপি’ (recipe)। আদেশসূচক বাক্যের ক্রিয়া হিসেবে ‘রেসিপি’ বা R বোঝায় ‘এটা

সম্রাট হাম্মুরাবি

মেসোপটেমিয়া- চার সভ্যতার লীলাভূমি (২য় ভাগ)

মেসোপটেমিয়া- আসেরীয়-ব্যাবিলনীয়-হিটাইট-ক্যাসাইট-নব্য আসেরীয়- নব্য ব্যবিলনীয় আসেরীয় সাম্রাজ্য মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের দক্ষিণে ছিল সুমের অঞ্চল। সুমেরের উত্তরে ছিল আকেদ শহর। আকেদের উত্তর পূর্ব অঞ্চলে গড়ে ওঠে আরেকটি শহর। বর্তমান ইরাকের অন্তর্গত এ শহরের নাম ছিল আসুর। এই শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে আসেরীয় সাম্রাজ্য। এ সাম্রাজ্যের অনেক শাসকেরা আকেদীয় সাম্রাজ্যের শাসকের নামে নামকরণ করতো। সুমেরীয় সভ্যতার কাছাকাছি

চিত্রিত পাণ্ডলিপি

আদম ও হাওয়ার স্বর্গচ্যুতির শিল্পকর্ম

ধর্ম বিষয়ক চিত্রশিল্প শিল্প-সাহিত্য বিশেষ করে ইউরোপের প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় চিত্রকর্মে আদম ও হাওয়ার যথেষ্ট প্রভাব রয়ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন শিল্পকর্মে তাদের স্বর্গচ্যুতির ঘটনাকে চিত্রিত করা হয়েছে। সে সময়কার প্রায় সব চিত্রকর্মই খ্রিস্টধর্মীয় ধ্যান-ধারণাকে প্রতিফলিত করে। মধ্যযুগে খ্রিস্টাদের বিভিন্ন প্রার্থনা সংকলিত বই থাকতো। এদেরকে ‘সময় পুস্তক’ ( book of hours) বলা হতো। বইগুলোতে প্রার্থনার পাশাপাশি ধর্মীয়

পৃথিবীর গল্প: চীনে এগারো শত বছরের শাসনে দুই রাজবংশ

চীনা সভ্যতা- এগারো শত বছরের শাসনে দুই রাজবংশ

চীনা সভ্যতার ইতিহাসে শিয়া ও শাং রাজবংশ চীনা রূপকথা ও লোককাহিনীর তিন কিংবদন্তী ও পাঁচ সম্রাটের পরে প্রায় এগারো শত বছর (২০৭০-১০৪৬ খ্রিঃপূঃ) ধরে দুটি রাজবংশ চীন শাসন করে। এদের একটি শিয়া রাজবংশ, অন্যটি শাং রাজবংশ। শিয়া রাজবংশ পাঁচশো আর শাং রাজবংশ ছয়শো বছর ক্ষমতায় ছিলো।    পাঁচশো বছরের শিয়া (Xia) রাজবংশ (২০৭০–১৬০০ খ্রিঃপূঃ) ও

ফেসবুক, না টুইটার- ভেবে দেখার সময় এখনি

ফেসবুক, না টুইটার- ভেবে দেখার সময় এখনি

উন্নত দেশে ফেসবুক-এর চেয়ে টুইটার কেন জনপ্রিয় হচ্ছে? ২০১৬ সাল ছিল ফেসবুক-এর স্বর্ণযুগ। সে সময়ে বিশ্বের ৮৫ শতাংশের বেশি লোক ফেসবুক ব্যবহার করতো। তখন টুইটার ব্যবহার করতো মাত্র ৩ শতাংশ লোক। এর পরে চিত্রপট পাল্টাতে থাকে। সারা বিশ্বে একদিকে কমতে থাকে ফেসবুক ব্যবহার, অন্যদিকে বাড়তে থাকে টুইটারের ব্যবহার। বর্তমানে (মার্চ ২০২০) বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যববহারকারীদের

পৃথিবীর গল্প- চার সভ্যতার লীলাভূমি মেসোপটেমিয়া

মেসোপটেমিয়া-চার সভ্যতার লীলাভূমি (১ম ভাগ)

মেসোপটেমিয়া সভ্যতা: সুমেরীয়-আকেদীয়-গুটি-সুমেরীয় মেসোপটেমিয়া সভ্যতার উত্থান মেসোপটেমিয়া কোন একক সভ্যতা নয়। প্রাচীনকালে এখানে একে একে গড়ে ওঠে চার সভ্যতা-সুমেরীয়, আসেরীয়, ব্যাবিলনীয় ও ক্যালডেরীয় সভ্যতা। এদের মধ্যে সুমেরীয় সভ্যতা প্রথম গড়ে ওঠে। এর পরে মহান সারগন গড়ে তোলে আকেদীয় সাম্রাজ্য। আকেদীয়দের পরে গুটি শাসন। উতু-হেগেল ফিরিয়ে আনে সুমেরীয় শাসন। এর পরে উর-নাম্মু তৈরি করে পৃথিবীর প্রথম

ইসলামের প্রতীক সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা

ইসলামের প্রতীক- সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা

সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা প্রতীক-এর বুৎপত্তি বিভিন্ন ধর্মে বিভিন্ন প্রতীক ব্যবহার করা হয়। যেমন খ্রিস্টান ধর্মে ‘ক্রুশ’, হিন্দু ধর্মে ‘ওম’। ইসলাম ধর্মের প্রতীকী রূপ প্রকাশে অনেক সময় একটি সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা ব্যবহৃত হয়। সরু বাঁকা চাঁদটিকে আরবিতে বলে ‘হিলাল’ আর হিলালের পেটের ভাঁজে থাকে এক বা একাধিক তারা। ৭ম শতকের শেষের দিকে

ডেলফির ওরাকল- সত্য না কি পৌরাণিক গল্প

ডেলফির ওরাকল- সত্য না কি পৌরাণিক গল্প?

ডেলফির ওরাকল (Oracle of Delphi) এক রহস্যের মায়াজাল গ্রিক পুরাণ-এ ডেলফির ওরাকল একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। সে কালের ভবিষ্যৎবাণীর আধার এই ডেলফির ওরাকল কি সত্য ছিল? না কি এসব কেবলই পৌরাণিক গল্প? গ্রিসের করিন্থ উপসাগরের উত্তরে পারনাসাস (Parnassus) পর্বতের দক্ষিণ ঢালে ডেলফি মন্দির অবস্থিত। খ্রি.পূর্ব অষ্টম শতকে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। এই

পিথাগোরাস-এর টেট্রাকটিস

পিথাগোরাস-এর টেট্রাকটিস

পিথাগোরাস-এর ‘দশের টেট্রাকটিস’ পিথাগোরাস বিশ্বাস করতেন যে, সংখ্যা বাস্তবিকতার পরম শক্তি (ultimate nature of reality is number) । এ তত্ত্বের ভিত্তিতে তিনি তাঁর ‘দশের টেট্রাকটিস’ (tetractys of the decad) তৈরী করেন। টেট্রাকটিস (tetractys) গ্রিক শব্দ, যার অর্থ চার। এটি ত্রিভূজাকৃতির এমন একটি ডায়াগ্রাম যেখানে চারটি সারিতে ১, ২, ৩ ও ৪-টি করে বিন্দু রয়েছে, যাদের

রামায়ণ মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্র অভিধান

রামায়ণ মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্র অভিধান

রামায়ণ মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ রামায়ণ মহাকাব্য এক অসাধারণ সাহিত্য। বাংলা সাহিত্যে ও ভাষায় রামায়ণ মহাকাব্যের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। বাংলা ভাষার অমৃত সূধা পান করতে হলে রামায়ণ-এর মতো মহাকাব্য গুলোর চরিত্র ও ঘটনাবলী সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। রামায়ণ মহাকাব্যের কিছু চরিত্র সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। তবে এ মহাকাব্যের অনেক চরিত্র সম্পর্কে আমাদের তেমন ধারণা নেই।

চীনা রূপকথা ও লোককাহিনী- উদ্ভব, সংস্কৃতি ও সভ্যতা

চীনা রূপকথা ও লোককাহিনী- উদ্ভব ও বিকাশ

চীনা রূপকথা ও লোককাহিনী- তিন কিংবদন্তী ও পাঁচ সম্রাট তিন কিংবদন্তী ও পাঁচ সম্রাট চীনাদের প্রথম ঊনিশশত বছরের ইতিহাস রূপকথা ও লোককাহিনী ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। প্রাচীনতম এ ইতিহাসের সাথে রূপকথা ও লোককাহিনী এতটাই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত যে তাদের ইতিহাস থেকে এ সব রূপকথা ও লোককাহিনী বাদ দিলে ইতিহাস অর্থহীন আর রূপকথা ও লোককাহিনী থেকে ইতিহাস তুলে

ওম প্রতীক-অর্থ ও ব্যাখ্যা

হিন্দু ধর্মের ‘ওম’ প্রতীক- অর্থ ও ব্যাখ্যা

ওম (ॐ) প্রতীক- বুৎপত্তি ও বিকাশ হিন্দু ধর্মের পবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক ॐ। উচ্চারণে ‘ওম’। বৌদ্ধ, জৈন ও শিখরাও ওম-কে পবিত্র জ্ঞান করে। হিন্দু মন্ত্র, প্রার্থনা ও ধ্যানের শুরুতে ও শেষে ওম উচ্চারণ করা হয়। যেহেতু এটি উচ্চারণ করে স্তব করা হয় তাই একে প্রণব বা ত্র্যক্ষর বলে। মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও

দাদাবাদী ডাচামের কবলে মোনালিসা

কলা, দাদা ও শিল্প

বাংলা ‘দাদাগিরি’ শব্দটির যে শৈল্পিক মূল‍্য আছে তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। দাদাগিরি বা দাদাবাদ নামে রীতিমত একটি শিল্প আন্দোলন আছে।

বাংলার লোকসঙ্গীত

বাংলার লোকসঙ্গীত- একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বাংলার লোকসঙ্গীত বাংলার মতোই প্রাঞ্জল। হাজার বছরের সংস্কৃতিকে আশ্রয় করে এ সঙ্গীত সম্ভার গড়ে উঠেছে। গীত, বাদ্য ও নৃত্য এই তিনের সমন্বিত রূপই হচ্ছে  সঙ্গীত। এদিক থেকে লোকগীতি, লোকবাদ্য ও  লোকনৃত্য এই তিনের সমন্বিত রূপকেই লোকসঙ্গীত বলা যায়। বাংলার লোকসঙ্গীত বৈচিত্র্যময়। মোটা দাগে বাংলায় ২৪ ধরণের লোকজ সঙ্গীতের অস্তিত্ত্ব পাওয়া যায়- (১) ভাওয়াইয়া গান, (২) ভাটিয়ালী গান, (৩) মারফতী

একসূত্রে তিন ফরাসি বিপ্লব সভ্যতা

পশ্চিমা গণতন্ত্রের ইতিহাসে ফরাসি তিন বিপ্লব

ফরাসি বিপ্লব-জুলাই বিপ্লব-ফেব্রুয়ারি বিপ্লব পশ্চিমা গণতন্ত্রের ইতিহাসে ফরাসিতে পর পর তিনটি বিপ্লব ঘটে-ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯), জুলাই বিপ্লব (১৮৩০) ও ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (১৮৪৮)। ফরাসি বিপ্লব দিয়ে এই তিন বিপ্লবের পরম্পরা শুরু হয়। এ বিপ্লবে মাধ্যমে পশ্চিমা সভ্যতার ফ্রান্স রাজতন্ত্র থেকে গণতন্ত্র পথে চলতে শুরু করে। ১৭৮৯ সালে ফরাসিতে যে বিপ্লব দেখা যায়, তা কোনো আকস্মিক কারণে ঘটেনি। পঞ্চদশ লুইয়ের অষ্ট্রিয়ার

ইতিহাসের সেরা ২০-টি ভুল

ইতিহাসের সেরা ২০-টি ভুল

ভুলের উর্ধে কেউ নয়। সাধারণ মানুষের জীবনের পরতে পরতে ভুলের কালিমা লেগে আছে। কিছু ভুল মার্জনা করা যায়, কিছু ভুল শুধরে নেয়া যায়। কিন্তু কিছু কিছু ভুল থাকে যার যার প্রতিফল হাজার বছরেও শেষ হয় না। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন কিছু ছোটখাট ভুল আছে যে গুলোর মাশুল ছিল অনেক বড়। সেগুলো অনেক বড় বড় ঘটনার জন্ম

৬৮ জেলার নামকরণের ইতিহাস

৬৪ জেলার নামকরণের ইতিহাস

ব্রিটিশ শাসনামলে তৎকালীন বাংলা প্রদেশে সর্বপ্রথম বিভাগ গঠন করা হয়। সে সময় বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডে রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম এই তিনটি বিভাগ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের একাংশ নিয়ে ১৯৬০ সালে খুলনা বিভাগ গঠিত হয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে এই চারটি বিভাগ ছিল। পরবর্তী কালে খুলনা বিভাগের একাংশ নিয়ে ১৯৯৩ সালে বরিশাল বিভাগ গঠিত হয় এবং ১৯৯৮

মহামারী করোনা রোগের ইতিহাস

মহামারী রোগের ইতিহাস

আজ জানুন মহামারী করোনা রোগের ইতিহাস। করোনার মতো মহামারী বিশ্বে নতুন কিছু নয়। যুগে যুগে বিভিন্ন বিভিন্ন রোগ বিভিন্ন সময়ে মানব জাতির উপরে মরণ ছোবল দিয়েছে। কোন নির্দিষ্ট এলাকায় যখন কোন রোগের প্রকোপ ঘটে। তখন তাকে অ্যান্ডেমিক রোগ বলে। ১৯৭৪-এ ভারতের উত্তর প্রদেশ এবং বিহারে ২০ হাজারের মত মানুষ গুটি বসন্তে মারা গিয়েছিল। এটা ছিল

রত্নপাথর

রত্নপাথর বিদ্যা

সুখের পাশাপাশি মানুষের জীবনে দুঃখ রয়েছে। সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতা। জীবনে সবাই সুখী হতে চায়, সফলতা পেতে চায়। কিন্তু মানুষ ভাবে এক, আর হয় আর এক। এই নেতিবাচক পরিস্থিতিকে এড়াতে অনেক মানুষ জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করে। এ বিশ্বাসের হাত ধরে কেউ কেউ বিভিন্ন রত্নপাথর ব্যবহার করে। তবে রত্নপাথর ব্যবহারে ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে এমন বিশ্বাসের কোন বৈজ্ঞানিক