হায়ারোগ্লিফিক্স

ফারাও শাসনের উত্থান ও বিকাশ (মিশরীয় সভ্যতা- ১ম ভাগ)

ফারাও শাসনের উত্থান ও বিকাশ: ফারাও- কুশাইট মিশরীয় সভ্যতা পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রাচীনতম সভ্যতা। বিশ্বের দীর্ঘতম আফ্রিকার নীল নদের অববাহিকায় এ সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে দশটি দেশ পার হয়ে সর্বশেষে মিশর অতিক্রম করে নীল নদ ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়। মিশরের মধ্য দিয়ে এ নদের প্রবাহকে কেন্দ্র করে প্রাচীন মিশরকে দুই ভাগে

সম্রাট হাম্মুরাবি

মেসোপটেমিয়া- চার সভ্যতার লীলাভূমি (২য় ভাগ)

মেসোপটেমিয়া- আসেরীয়-ব্যাবিলনীয়-হিটাইট-ক্যাসাইট-নব্য আসেরীয়- নব্য ব্যবিলনীয় আসেরীয় সাম্রাজ্য মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের দক্ষিণে ছিল সুমের অঞ্চল। সুমেরের উত্তরে ছিল আকেদ শহর। আকেদের উত্তর পূর্ব অঞ্চলে গড়ে ওঠে আরেকটি শহর। বর্তমান ইরাকের অন্তর্গত এ শহরের নাম ছিল আসুর। এই শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে আসেরীয় সাম্রাজ্য। এ সাম্রাজ্যের অনেক শাসকেরা আকেদীয় সাম্রাজ্যের শাসকের নামে নামকরণ করতো। সুমেরীয় সভ্যতার কাছাকাছি

পৃথিবীর গল্প- চার সভ্যতার লীলাভূমি মেসোপটেমিয়া

মেসোপটেমিয়া-চার সভ্যতার লীলাভূমি (১ম ভাগ)

মেসোপটেমিয়া সভ্যতা: সুমেরীয়-আকেদীয়-গুটি-সুমেরীয় মেসোপটেমিয়া সভ্যতার উত্থান মেসোপটেমিয়া কোন একক সভ্যতা নয়। প্রাচীনকালে এখানে একে একে গড়ে ওঠে চার সভ্যতা-সুমেরীয়, আসেরীয়, ব্যাবিলনীয় ও ক্যালডেরীয় সভ্যতা। এদের মধ্যে সুমেরীয় সভ্যতা প্রথম গড়ে ওঠে। এর পরে মহান সারগন গড়ে তোলে আকেদীয় সাম্রাজ্য। আকেদীয়দের পরে গুটি শাসন। উতু-হেগেল ফিরিয়ে আনে সুমেরীয় শাসন। এর পরে উর-নাম্মু তৈরি করে পৃথিবীর প্রথম