বাংলার বাদ্যযন্ত্র

বাংলার বাদ্যযন্ত্র – একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বাংলার বাদ্যযন্ত্র ও সঙ্গীত বাংলা সংস্কৃতির সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বাংলার বাদ্যযন্ত্র চার ভাগে বিভক্ত। (১) ততবাদ্য, (২) শুষিরবাদ্য, (৩) আনদ্ধ বাদ্য, ও (৪) ঘনবাদ্য। যেসব বাদ্যযন্ত্রে তার থেকে ধ্বনি উৎপত্তি হয় তাকে তত্‍বাদ্য বলে। এদের মধ্যে কিছু অঙ্গুলি, মিজরার দ্বারা আঘাতের ফলে ধ্বনির উৎপত্তি করে; যেমন- বীণা, সেতার, তানপুরা, সরোদ ইত্যাদি। অন্যগুলোতে ছড়ি বা ছড়

আদ্রে মুনসন

আদ্রে মুনসন- ভাগ্যের পরিহাসে ভাগ্যবতী দেবী

আদ্রে মুনসন- এক ঝলকে জ্বলে নিভে যাওয়া এক নক্ষত্র। ভূগোলের ভাষায় “মৌসুমি বায়ু” বলে একটি বিষয় আছে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ মৌসুমি বায়ু প্রবাহের দিকও পরিবর্তিত হয়। এই মৌসুমি বায়ুর ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘মনসুন’ (Monsoon)। এটি মূলত আরবি শব্দ ‘মাওসিম’ (mawsim) থেকে এসেছে। আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম সুপার মডেলের নাম আদ্রে মুনসন (Audrey Munson)। আদ্রে মুনসনের

চিত্রিত পাণ্ডলিপি

আদম ও হাওয়ার স্বর্গচ্যুতির শিল্পকর্ম

ধর্ম বিষয়ক চিত্রশিল্প শিল্প-সাহিত্য বিশেষ করে ইউরোপের প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় চিত্রকর্মে আদম ও হাওয়ার যথেষ্ট প্রভাব রয়ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন শিল্পকর্মে তাদের স্বর্গচ্যুতির ঘটনাকে চিত্রিত করা হয়েছে। সে সময়কার প্রায় সব চিত্রকর্মই খ্রিস্টধর্মীয় ধ্যান-ধারণাকে প্রতিফলিত করে। মধ্যযুগে খ্রিস্টাদের বিভিন্ন প্রার্থনা সংকলিত বই থাকতো। এদেরকে ‘সময় পুস্তক’ ( book of hours) বলা হতো। বইগুলোতে প্রার্থনার পাশাপাশি ধর্মীয়

ওম প্রতীক-অর্থ ও ব্যাখ্যা

হিন্দু ধর্মের ‘ওম’ প্রতীক- অর্থ ও ব্যাখ্যা

ওম (ॐ) প্রতীক- বুৎপত্তি ও বিকাশ হিন্দু ধর্মের পবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক ॐ। উচ্চারণে ‘ওম’। বৌদ্ধ, জৈন ও শিখরাও ওম-কে পবিত্র জ্ঞান করে। হিন্দু মন্ত্র, প্রার্থনা ও ধ্যানের শুরুতে ও শেষে ওম উচ্চারণ করা হয়। যেহেতু এটি উচ্চারণ করে স্তব করা হয় তাই একে প্রণব বা ত্র্যক্ষর বলে। মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও

দাদাবাদী ডাচামের কবলে মোনালিসা

কলা, দাদা ও শিল্প

বাংলা ‘দাদাগিরি’ শব্দটির যে শৈল্পিক মূল‍্য আছে তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। দাদাগিরি বা দাদাবাদ নামে রীতিমত একটি শিল্প আন্দোলন আছে।

বাংলার লোকসঙ্গীত

বাংলার লোকসঙ্গীত- একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বাংলার লোকসঙ্গীত বাংলার মতোই প্রাঞ্জল। হাজার বছরের সংস্কৃতিকে আশ্রয় করে এ সঙ্গীত সম্ভার গড়ে উঠেছে। গীত, বাদ্য ও নৃত্য এই তিনের সমন্বিত রূপই হচ্ছে  সঙ্গীত। এদিক থেকে লোকগীতি, লোকবাদ্য ও  লোকনৃত্য এই তিনের সমন্বিত রূপকেই লোকসঙ্গীত বলা যায়। বাংলার লোকসঙ্গীত বৈচিত্র্যময়। মোটা দাগে বাংলায় ২৪ ধরণের লোকজ সঙ্গীতের অস্তিত্ত্ব পাওয়া যায়- (১) ভাওয়াইয়া গান, (২) ভাটিয়ালী গান, (৩) মারফতী

হ্যালোউইন

হ্যালোউইন

আমার ধারণা ছিল যে ভূত-প্রেতাত্মা শুধু বাংলাদেশ, ভারতের গ্রামাঞ্চলের মেধাস্বত্ত্ব। এখন তো দেখি ইউরোপ-আমেরিকার লোকজনও কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন নয়। এদের বিশ্বাসে ভূত, ভ‍্যাম্পায়ার, ডাকিনী, জমবি (zombie) কোনোটারই কোনো ঘাটতি নেই। এরা ভূতে যে শুধু বিশ্বাস করে তা নয়, রীতিমত ভূতের পূজা-অর্চনা করে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার ব‍্যবসা করছে। পাশ্চাত‍্যে ভূতের এ  পূজা, এ ব‍্যবসার নাম

সামবা নৃত্য

সামবা নৃত্য

ব্রাজিলের সবচে বড় বাৎসরিক উৎসবের নাম কার্নিভাল। এটি মূলতঃ বিভিন্ন মুখোশ ও বাহারি পোশাকে সামবার তালে তালে নাচের প্যারেড। একই সাথে চলে অদম্য পানাহার ও উম্মত্ত ভালোবাসা বিনিময়ের অযাচিত বহিঃপ্রকাশ। খ্রিস্টধর্ম মতে জেরুজালেম শহরের কালভারি নামক স্থানে যিশু খ্রিস্টকে ক্রুশ বিদ্ধ করে হত্যা করা হয়। এই ক্রসিফিকেইশনের তৃতীয় দিনে যিশু খ্রিস্ট পুনরুত্থান লাভ করে। তাই

এপ্রিল ফুল, তথ্যের ভুল?

এপ্রিল ফুল, তথ্যের ভুল?

এপ্রিল ফুল’স ডে’র জন্ম ইতিহাস আজও রহস্যজনক; সভ্যতার ইতিহাসে ঠিক কোন বছর হতে এই দিনটির প্রথা চালু হয়েছে তা মানুষের কাছে অদ্যাবধি অজানা। ইংরেজি সাহিত্যের জনক জিওফ্রে চসার ১৩৯২ সালে লেখা ‘নান’স প্রিস্ট টেল’ কবিতায়মার্চ মাসের একটি বত্রিশতম দিনের কথা উল্লেখ করেন। কারো কারো মতে এই বত্রিশতম দিনটি বলতে চসার পহেলা এপ্রিলকে বুঝিয়েছিলেন। তবে ঐতিহাসিক

জু-জুৎসু

জু-জুৎসু

ফুটবল নিঃসন্দেহে ব্রাজিলিয়ানদের এক উন্মাদনার নাম। এর পরে যে দুটি খেলা এদেশে সমধিক জনপ্রয়িতা পেয়েছে তার একটার নাম ব্রাজিলিযান জু-জুৎসু আর অন্যটি হলো ‘কাপোয়েরা’। কাপোয়েরার জন্ম এঙ্গোলাতে আর জু-জুৎসুর জন্ম জাপানে। জু (jiu) অর্থ ‘সুশীল’ আর জুৎসু (jitsu) হলো ‘কৌশল’; অর্থাৎ সুশীল কৌশল। জু-জুৎসু মূলত অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ দেহী ও শক্তিশালী কাউকে প্রতিহত করার অন্যতম জনপ্রিয়

Octoberfest

অক্টোবরফেস্ট ব্লুমেনৌ

প্রতি বছর অক্টোবর মাসে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত অক্টোবর ফেস্টের কথা হয়তো অনেকেই জানা আছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম বিয়ার উৎসব। ঐ একই মাসে ১৮দিন ব্যাপী বিয়ারের ২য় বৃহত্তম মেলাটি বসে  ব্রাজিলের সান্তা কাতারিনা প্রদেশের ব্লুমেনৌতে। এটি ব্রাজিলিয় বিয়ার প্রস্তুতকারক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বীয়ার প্রদর্শন ও বিপণন মেলা। এর প্রধান আকর্ষণ হলো বিয়ার ভর্তি ট্রাকের (choppwagen) রাস্তায় রাস্তায় প্রদক্ষিণ

ফেসতা জুনিনা

ফেসতা জুনিনা

উৎসবপ্রেমী ব্রাজিলিয়ানদের তিনটি মূল সংস্কৃতি রয়েছে-  মহোৎসব কার্নিভাল, শৈল্পিক আত্মরক্ষা কৌশল কাপোয়েরা আর জাপানি জুডোর ব্রাজিলিয়ান সংস্করণ জু-জুৎসু। এ তিনটির মতো জনপ্রিয় না হলেও ব্রাজিলে আরেকটি সাংস্কৃতিক উৎসব আছে, নাম ফেসতা জুনিনা (Festa Junina) বা জুন উৎসব। ক্যাথলিক প্রথা হতে উদ্ভূত জুন মাসের এ উৎসবের ইতিহাস সুপ্রাচীন। রোমান প্রাতীচ্য পুরাণের প্রেম ও বিশ্বস্ততার দেবী জুনো ছিলেন শনি বা স্যাটার্নের কন্যা, বৃহস্পতি