মানচিত্রে মহাভারত মহাকাব্যের স্থানসমূহ

মহাভারত মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্রাভিধান

মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ মহাভারত ও রামায়ণ মহাকাব্যের মতো হিন্দু পুরাণগুলোতে দুটি শক্তিশালী রাজবংশের পরিচয় পাওয়া যায়- সূর্য বংশ ও চন্দ্র বংশ। সূর্য বংশকে ঘিরে রামায়ণ আর চন্দ্র বংশকে ঘিরে মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রাবিধান তৈরী হয়েছে। তাই রামায়ণ ও মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রগুলো বোঝার জন্য সূর্যবংশ ও চন্দ্রবংশ সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। তবে সূর্য ও চন্দ্র

রামায়ণ মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্র অভিধান

রামায়ণ মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্র অভিধান

রামায়ণ মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ রামায়ণ মহাকাব্য এক অসাধারণ সাহিত্য। বাংলা সাহিত্যে ও ভাষায় রামায়ণ মহাকাব্যের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। বাংলা ভাষার অমৃত সূধা পান করতে হলে রামায়ণ-এর মতো মহাকাব্য গুলোর চরিত্র ও ঘটনাবলী সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। রামায়ণ মহাকাব্যের কিছু চরিত্র সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। তবে এ মহাকাব্যের অনেক চরিত্র সম্পর্কে আমাদের তেমন ধারণা নেই।

ওম প্রতীক-অর্থ ও ব্যাখ্যা

হিন্দু ধর্মের ‘ওম’ প্রতীক- অর্থ ও ব্যাখ্যা

ওম (ॐ) প্রতীক- বুৎপত্তি ও বিকাশ হিন্দু ধর্মের পবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক ॐ। উচ্চারণে ‘ওম’। বৌদ্ধ, জৈন ও শিখরাও ওম-কে পবিত্র জ্ঞান করে। হিন্দু মন্ত্র, প্রার্থনা ও ধ্যানের শুরুতে ও শেষে ওম উচ্চারণ করা হয়। যেহেতু এটি উচ্চারণ করে স্তব করা হয় তাই একে প্রণব বা ত্র্যক্ষর বলে। মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও

হিন্দুর ‘জল’ মুসলমানের ‘পানি’

ফেসবুকে ধর্মপ্রচার, না অপপ্রচার?

ফেসবুক ধর্মপ্রচার হয়, না কি অপপ্রচার? ঈশ্বর কী নিয়মিত ফেসবুকিং করেন? তাঁর কী কোনো ফেসবুক একাউন্ট আছে? যদি ফেসবুক একাউন্ট থাকে, তবে সেটির আইডি কী? আইডি জানা থাকলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতাম।  রিকোয়েস্ট একসেপ্ট না করলে ফলো করতাম।  বিষয়টি বুঝতে অনেক দেরী হলো। এতদিনে ঈশ্বর বোধ হয় আমাকে ব্লক করে দিয়েছেন। তবুও, ‘বেটার লেইট দ‍্যান নেভার’।

হিন্দুর ‘জল’ মুসলমানের ‘পানি’

হিন্দুর ‘জল’ মুসলমানের ‘পানি’

রবীন্দ্রনাথের ‘আমাদের ছোট নদী’ কবিতাটি হয়তো অনেকের মনে আছে। কবিতাটির দ্বিতীয় পঙক্তিটি এমন ছিল- ‘বৈশাখ মাসে তার হাঁটুজল থাকে৷’ স্যার চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে ক্লাসে কবিতাটি পড়াতেন। এমনিতে সব ঠিকঠাক ছিল; শুধু দুটি বিষয়ে রবীন্দনাথের সাথে স্যারের বিরোধ ছিল-(এক) ২য় ও ১০ পঙক্তিতে তিনি “জল” শব্দ বদলে দিয়ে “পানি” দিয়ে পড়াতেন। যেমন- “বৈশাখ মাসে তার হাঁটুপানি থাকে”…“গামছায় পানি ভরি গায়ে