রমেশ শীল

ইস্কুল খুইলাছেরে মাওলা, ইস্কুল খুইলাছে

“ইস্কুল খুইলাছেরে মাওলা, ইস্কুল খুইলাছে গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী ইস্কুল খুইলাছে।” – ছেলেবেলায় এমনও দিন গেছে যে সারাদিন এ গান গেয়েছি। অবশ্য এই দু’লাইন মাত্র। গানটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন পপ শিল্পী জানে আলম। তাঁর আরও একটা গান খুব জনপ্রিয় ছিল- ‘একটি গন্ধমের লাগিয়া, আল্লায় বানাইছে দুনিয়া’। কখনও জানা হয়নি “ইস্কুল খুইলাছে” গানটি কোথা থেকে এল। সে

সিফিনের যুদ্ধ

বিষের কারণে হযরত ইমাম হাসান (রাঃ) এর মৃত্যু নিয়ে আমার বেসুরো বয়ান

হযরত ইমাম হাসান (রাঃ) বিষের প্রতিক্রিয়ায় মারা যান। কে তাঁকে বিষ দিল? কি বিষে তিনি মারা গেলেন?  হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর প্রিয় নাতি (যার ঠোঁটে তিনি চুমু খেতেন, পিঠে চড়াতেন, কোলাকুলি করতেন) ও ‘জান্নাতে যুবকদের সর্দার’ কেন বিষপ্রয়োগে মারা গেলেন? কি ছিল সেই ঘটনার পেছনের ঘটনা? এসব জানতে প্রথমে বেশ কিছু বক্তার ভিডিও দেখি। গোটা

বাইজানটাইন-সাম্রাজ্য

বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতন

বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের উত্থান হয় পশ্চিম রোমক সভ্যতার পতনের সূচনা থেকে। রোমক সম্রাট ডাইক্লিশান ২৮৫ সালে প্রথম রোমক সাম্রাজ্যকে প্রথম পূর্ব ও পশ্চিমে বিভক্ত করে। পরে তিনি আবার ২৯৩ সালে একে চার ভাগে বিভক্ত করে চার জন সম্রাটের রাজ্যভূক্ত করে। চার ভাগে বিভক্ত এ রোমক সাম্রাজ্যের ফ্রান্স থেকে বৃটেন পর্যন্ত অঞ্চলের সম্রাট কনসট্যানটিআসের মৃত্যুর পরে পুত্র

চার ভাগে ভিভক্ত রোমক সাম্রাজ্য

রোমক সাম্রাজ্যের পতনঃ রোমক সভ্যতার ইতিহাস (৪র্থ ভাগ)

চার সম্রাটের এক বছর (৬৮-৬৯) নেরোর মৃত্যুর পরে রোমে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এ বছরের মধ্যে একে একে তিন জন সম্রাট হয়ে রোমের সিংহাসনে বসে, কিন্তু কেউ টিকতে পারেনি। প্রথমে এলেন নিয়োগকৃত হিস্পানিয়াতে (বর্তমান স্পেন) রোমের গভর্নর গালবা। টিকলেন মাত্র সাত মাস। গালবাকে হত্যা করে ক্ষমতায় এলেন নেরোর পুরাতন রাজ সহচর- অথো। অথো ছিলো নেরোর স্ত্রী

ক্যালিগুলার শাসনামলে রোমক সাম্রাজ্য

রোমক সাম্রাজ্যঃ রোমক সভ্যতার ইতিহাস (৩য় ভাগ)

রোমক সাম্রাজ্য সূচনা করে অগাস্টাস। ১৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত অগাস্টাস রোমক সাম্রাজ্যের সম্রাট ছিলেন। সে আনুষ্ঠানিক ভাবে রোমক গণপ্রজাতন্ত্র বিলুপ্ত করেনি। ক্ষমতায় এসে সে পুনরায় সিনেট প্রতিষ্ঠা করে। তবে নিজেকে সিনেটের সর্বক্ষমতার উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। সে সিনেটের যেকোনো সিদ্ধান্তে ‘ভেটো’ দিতে পারতো। তার পদবী ছিলো ‘প্রিন্সেপস সেনাটাস’ (princeps senatus) বা প্রথম সিনেটর। সে প্রায় ৮২টি মন্দির নির্মাণ করে। রোমের

ওটজি বা বরফ মানব

ওটজি বা বরফ মানব: জীবন্ত ও অভিশপ্ত এক মমি

ওটজি বললে অনেকেই চিনবেন না। কিন্তু যদি বলি ‘আইসম্যান’ বা ‘বরফ মানব’ তাহলে হয়তো অনেকেই চিনবেন বা বলবেন হ্যাঁ নাম শুনেছি। 1 ১৯ শে সেপ্টেম্বর ১৯৯১ সালে আইসম্যানকে খুঁজে পাওয়ার পরে দুনিয়া জুড়ে প্রচুর হৈ চৈ হয়েছিলো। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হয়েছে। আজ থেকে পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে এই পৃথিবীতে বরফ মানবের চলাফেরা

হানিবালের-রোম-আক্রমণ

রোমক গণপ্রজাতন্ত্রঃ রোমক সভ্যতার ইতিহাস (২য় ভাগ)

রোমক গণপ্রজাতন্ত্র (৫০৯-২৭ খ্রি.পূ.) খ্রিস্টপূর্ব ৫০৯ সালে রোমকরা রাজতন্ত্র থেকে গণপ্রজাতন্ত্রের যুগে পদার্পণ করে। রোমক গণপ্রজাতন্ত্র S.P.Q.R নামে পরিচিত ছিল। S.P.Q.R বলতে Senātus Populusque Rōmānus বোঝায়। এর অর্থ ‘রোমক সিনেট ও জনগণ’। রোমক গণপ্রজাতন্ত্রের সংবিধান অনুসারে রোমের শাসন ব্যবস্থায় তিনটি বিভাগ ছিল- বিধানসভা (assembly), সিনেট ও ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাহী প্রশাসনের সর্বোচ্চে ছিল দুই কনসাল (consul)। বিধানসভার

রোমুলাস ও রেমুস ব্রোঞ্জমূর্তি (৫০০-৪৮০ খ্রি.পূ.)

রোমক সভ্যতার উত্থানঃ রোমক সভ্যতার ইতিহাস (১ম ভাগ)

রোমক সভ্যতার ইতিহাস বলতে গেলে বলতে হবে প্রায় সাড়ে বাইশ শত বছর আগের কথা। ভূ-মধ্য সাগরের উত্তরের তীর ঘেঁষে ছোট একটি শহর গড়ে উঠেছিল। নাম রোম। এই রোম শহরকে এক সময় ‘বিশ্বের রাজধানী’ বলা হতো। অনেকে একে বিশ্বের প্রথম রাজকীয় শহর, প্রথম মেট্রোপলিটন শহরও বলে থাকে। এই শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল রোমক রাজ্য, রোমক

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ- অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ (শেষ ভাগ)

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ: অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ (শেষ ভাগ)

গ্রিক দেব-দেবীদের জন্ম ও বংশপরিচয়ঃ অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ গ্রিক পুরাণের সহজপাঠে পূর্বে আরো দুটি অধ্যায় রয়েছে। প্রথমটিতে গ্রিক পুরাণের আদিম দেব-দেবীগণ এবং দ্বিতীয়টিতে তিতান দেব-দেবীগণের পরিচয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আজকের এই শেষ পর্বে গ্রিক পুরাণের তৃতীয় প্রজন্ম তথা অলিম্পিয়ান দেব-দেবীদের পরিচয় তুলে ধরা হলো। গ) গ্রিক অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ গ্রিক পুরাণের দেব-দেবীদের দ্বিতীয় ভাগে বলা হয়েছে, ক্রোনাস

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ- দেব-দেবীদের কুণ্ডলী (২য় ভাগ)

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ: তিতান দেব-দেবীগণ (২য় ভাগ)

গ্রিক দেব-দেবীদের জন্ম ও বংশপরিচয়ঃ তিতান দেব-দেবীগণ গ্রিক পুরাণের সহজপাঠের প্রথম ভাগে গ্রিকদের আদিম দেব-দেবীদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। দ্বিতীয় ভাগে থাকছে তিতানদের নিয়ে আলোচনা। তিতানরা গ্রিকদের তিন প্রজন্মের দেব-দেবীদের মধ্যে দ্বিতীয় প্রজন্ম।    খ) গ্রিক তিতান দেব-দেবীগণ বারো জন তিতানদের ছয়টি যুগল। জোড়ায় জোড়ায় এই যুগল তিতানরা হলো-অশিয়ানোস (Oceanus) ও তেথুস (Tethys), হাপেরিয়ন ও থেইয়া, কয়উস (Coeus) ও ফয়বে (Phoebe), ক্রোনাস (Cronos)

পারস্য সাম্রাজ্য (আকিমানিদ) (৫৪০ খ্রি.পূ)

পারস্য সভ্যতা- উত্থান ও বিকাশ (১ম ভাগ)

পারস্য সভ্যতা: আকিমানিদ সাম্রাজ্য-মেসিডোনিয় শাসন-জরথুস্ত্রবাদ-সিলুসিদ শাসন পারস্য সভ্যতা মেসোপটেমিয়ারনব্য ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্য ও মিশরের কুশাইট রাজ্য করায়ত্ত্ব করে প্রায় অর্ধ-পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত হয়েছিল।   মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের পূর্বের উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চল হতে পারস্য সভ্যতার উত্থান হয়। বর্তমান ইরানের আগের নামও পারস্য। তবে এখন ইরান বলতে যে ভূখণ্ড বোঝায়, পারস্য বললে তার থেকে বহুগুণ বড় এক অঞ্চল বোঝাত।  খ্রিস্টপূর্ব

আদ্রে মুনসন

আদ্রে মুনসন- ভাগ্যের পরিহাসে ভাগ্যবতী দেবী

আদ্রে মুনসন- এক ঝলকে জ্বলে নিভে যাওয়া এক নক্ষত্র। ভূগোলের ভাষায় “মৌসুমি বায়ু” বলে একটি বিষয় আছে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ মৌসুমি বায়ু প্রবাহের দিকও পরিবর্তিত হয়। এই মৌসুমি বায়ুর ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘মনসুন’ (Monsoon)। এটি মূলত আরবি শব্দ ‘মাওসিম’ (mawsim) থেকে এসেছে। আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম সুপার মডেলের নাম আদ্রে মুনসন (Audrey Munson)। আদ্রে মুনসনের

মানচিত্রে মহাভারত মহাকাব্যের স্থানসমূহ

মহাভারত মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্রাভিধান

মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ মহাভারত ও রামায়ণ মহাকাব্যের মতো হিন্দু পুরাণগুলোতে দুটি শক্তিশালী রাজবংশের পরিচয় পাওয়া যায়- সূর্য বংশ ও চন্দ্র বংশ। সূর্য বংশকে ঘিরে রামায়ণ আর চন্দ্র বংশকে ঘিরে মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রাবিধান তৈরী হয়েছে। তাই রামায়ণ ও মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রগুলো বোঝার জন্য সূর্যবংশ ও চন্দ্রবংশ সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। তবে সূর্য ও চন্দ্র

এক্সোডাস ম্যাপ

ফারাও শাসনের পুনরুত্থান (মিশরীয় সভ্যতা- ২য় ভাগ)

ফারাও শাসনের পুনরুত্থান: ফারাও-আকিমানিদ-আক্সুমাইট ফারাও শাসনের পুনরুত্থান ঘটায় ১ম আহমোসিস। তিনি হাইকসস শাসনের (১৫, ১৬ ‍ও ১৭তম বংশ) অবসান ঘটিয়ে মিশরের শাসন পুনরায় মিশরীয়দের হাতে ফিরিয়ে আনে। থিবজ শহরকে কেন্ত্র করে সে অষ্টাদশ বংশের (১৫৫০–১২৯২ খ্রি.পূ.) প্রতিষ্ঠা করে। এ বংশের অন্যান্য ফারাওদের মধ্যে হ্যাতশেপসুট, আকনাথুন (৪র্থ আহমুনহোথেপ) ও তাঁর স্ত্রী নেফারতিতি ও তুতানখামুনের নাম উল্লেখযোগ্য।

ছিন্নমস্তক মেডুসা

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ: আদিম দেব-দেবীগণ (১ম ভাগ)

গ্রিক দেব-দেবীদের জন্ম ও বংশপরিচয়ঃ আদিম দেব-দেবীগণ সময়ের সাথে বিশ্বাস বদলে যায়। জিউস, এপোলো, আফ্রোদিতি, কিউপিড প্রভৃতি গ্রিক বা রোমক দেব-দেবীদের নিয়ে আজ আমরা অনেক হাসি-ঠাট্টা করি, মজা করি। কিন্তু তিন থেকে চার হাজার বছর আগে তেমনটি ছিলো না। মানুষ তাদেরকে বিশ্বাস করতো, সর্বশক্তিময় বলে জানতো, পূজা-অর্চনা করতো।  অথচ, হায়রে সময়! কে বলতে পারে তিন

হায়ারোগ্লিফিক্স

ফারাও শাসনের উত্থান ও বিকাশ (মিশরীয় সভ্যতা- ১ম ভাগ)

ফারাও শাসনের উত্থান ও বিকাশ: ফারাও- কুশাইট মিশরীয় সভ্যতা পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রাচীনতম সভ্যতা। বিশ্বের দীর্ঘতম আফ্রিকার নীল নদের অববাহিকায় এ সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে দশটি দেশ পার হয়ে সর্বশেষে মিশর অতিক্রম করে নীল নদ ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়। মিশরের মধ্য দিয়ে এ নদের প্রবাহকে কেন্দ্র করে প্রাচীন মিশরকে দুই ভাগে

হরুসের চোখ

ডাক্তারের পেসক্রিপশনে Rx কী বোঝায়?

ডাক্তারের পেসক্রিপশনে লেখা Rx– বুৎপত্তি ও অর্থ ডাক্তারের পেসক্রিপশনে Rx লেখা প্রতীকটি আমাদের বেশ পরিচিত। ডাক্তারের যেকোন পেসক্রিপশন বা ব্যবস্থাপত্রের দিকে তাকালে এই শব্দ যুগল আমাদের চোখে পড়ে। কারো কারো মনে হয়তো কখনও এ প্রশ্নটি উঁকি দিয়েছে, কি এই Rx? Rx-এর R এর অর্থ ‘রেসিপি’ (recipe)। আদেশসূচক বাক্যের ক্রিয়া হিসেবে ‘রেসিপি’ বা R বোঝায় ‘এটা

সম্রাট হাম্মুরাবি

মেসোপটেমিয়া- চার সভ্যতার লীলাভূমি (২য় ভাগ)

মেসোপটেমিয়া- আসেরীয়-ব্যাবিলনীয়-হিটাইট-ক্যাসাইট-নব্য আসেরীয়- নব্য ব্যবিলনীয় আসেরীয় সাম্রাজ্য মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের দক্ষিণে ছিল সুমের অঞ্চল। সুমেরের উত্তরে ছিল আকেদ শহর। আকেদের উত্তর পূর্ব অঞ্চলে গড়ে ওঠে আরেকটি শহর। বর্তমান ইরাকের অন্তর্গত এ শহরের নাম ছিল আসুর। এই শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে আসেরীয় সাম্রাজ্য। এ সাম্রাজ্যের অনেক শাসকেরা আকেদীয় সাম্রাজ্যের শাসকের নামে নামকরণ করতো। সুমেরীয় সভ্যতার কাছাকাছি

পৃথিবীর গল্প: চীনে এগারো শত বছরের শাসনে দুই রাজবংশ

চীনা সভ্যতা- এগারো শত বছরের শাসনে দুই রাজবংশ

চীনা সভ্যতার ইতিহাসে শিয়া ও শাং রাজবংশ চীনা রূপকথা ও লোককাহিনীর তিন কিংবদন্তী ও পাঁচ সম্রাটের পরে প্রায় এগারো শত বছর (২০৭০-১০৪৬ খ্রিঃপূঃ) ধরে দুটি রাজবংশ চীন শাসন করে। এদের একটি শিয়া রাজবংশ, অন্যটি শাং রাজবংশ। শিয়া রাজবংশ পাঁচশো আর শাং রাজবংশ ছয়শো বছর ক্ষমতায় ছিলো।    পাঁচশো বছরের শিয়া (Xia) রাজবংশ (২০৭০–১৬০০ খ্রিঃপূঃ) ও

পৃথিবীর গল্প- চার সভ্যতার লীলাভূমি মেসোপটেমিয়া

মেসোপটেমিয়া-চার সভ্যতার লীলাভূমি (১ম ভাগ)

মেসোপটেমিয়া সভ্যতা: সুমেরীয়-আকেদীয়-গুটি-সুমেরীয় মেসোপটেমিয়া সভ্যতার উত্থান মেসোপটেমিয়া কোন একক সভ্যতা নয়। প্রাচীনকালে এখানে একে একে গড়ে ওঠে চার সভ্যতা-সুমেরীয়, আসেরীয়, ব্যাবিলনীয় ও ক্যালডেরীয় সভ্যতা। এদের মধ্যে সুমেরীয় সভ্যতা প্রথম গড়ে ওঠে। এর পরে মহান সারগন গড়ে তোলে আকেদীয় সাম্রাজ্য। আকেদীয়দের পরে গুটি শাসন। উতু-হেগেল ফিরিয়ে আনে সুমেরীয় শাসন। এর পরে উর-নাম্মু তৈরি করে পৃথিবীর প্রথম

ইসলামের প্রতীক সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা

ইসলামের প্রতীক- সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা

সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা প্রতীক-এর বুৎপত্তি বিভিন্ন ধর্মে বিভিন্ন প্রতীক ব্যবহার করা হয়। যেমন খ্রিস্টান ধর্মে ‘ক্রুশ’, হিন্দু ধর্মে ‘ওম’। ইসলাম ধর্মের প্রতীকী রূপ প্রকাশে অনেক সময় একটি সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা ব্যবহৃত হয়। সরু বাঁকা চাঁদটিকে আরবিতে বলে ‘হিলাল’ আর হিলালের পেটের ভাঁজে থাকে এক বা একাধিক তারা। ৭ম শতকের শেষের দিকে

ডেলফির ওরাকল- সত্য না কি পৌরাণিক গল্প

ডেলফির ওরাকল- সত্য না কি পৌরাণিক গল্প?

ডেলফির ওরাকল (Oracle of Delphi) এক রহস্যের মায়াজাল গ্রিক পুরাণ-এ ডেলফির ওরাকল একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। সে কালের ভবিষ্যৎবাণীর আধার এই ডেলফির ওরাকল কি সত্য ছিল? না কি এসব কেবলই পৌরাণিক গল্প? গ্রিসের করিন্থ উপসাগরের উত্তরে পারনাসাস (Parnassus) পর্বতের দক্ষিণ ঢালে ডেলফি মন্দির অবস্থিত। খ্রি.পূর্ব অষ্টম শতকে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। এই

রামায়ণ মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্র অভিধান

রামায়ণ মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্র অভিধান

রামায়ণ মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ রামায়ণ মহাকাব্য এক অসাধারণ সাহিত্য। বাংলা সাহিত্যে ও ভাষায় রামায়ণ মহাকাব্যের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। বাংলা ভাষার অমৃত সূধা পান করতে হলে রামায়ণ-এর মতো মহাকাব্য গুলোর চরিত্র ও ঘটনাবলী সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। রামায়ণ মহাকাব্যের কিছু চরিত্র সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। তবে এ মহাকাব্যের অনেক চরিত্র সম্পর্কে আমাদের তেমন ধারণা নেই।

চীনা রূপকথা ও লোককাহিনী- উদ্ভব, সংস্কৃতি ও সভ্যতা

চীনা রূপকথা ও লোককাহিনী- উদ্ভব ও বিকাশ

চীনা রূপকথা ও লোককাহিনী- তিন কিংবদন্তী ও পাঁচ সম্রাট তিন কিংবদন্তী ও পাঁচ সম্রাট চীনাদের প্রথম ঊনিশশত বছরের ইতিহাস রূপকথা ও লোককাহিনী ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। প্রাচীনতম এ ইতিহাসের সাথে রূপকথা ও লোককাহিনী এতটাই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত যে তাদের ইতিহাস থেকে এ সব রূপকথা ও লোককাহিনী বাদ দিলে ইতিহাস অর্থহীন আর রূপকথা ও লোককাহিনী থেকে ইতিহাস তুলে

একসূত্রে তিন ফরাসি বিপ্লব সভ্যতা

পশ্চিমা গণতন্ত্রের ইতিহাসে ফরাসি তিন বিপ্লব

ফরাসি বিপ্লব-জুলাই বিপ্লব-ফেব্রুয়ারি বিপ্লব পশ্চিমা গণতন্ত্রের ইতিহাসে ফরাসিতে পর পর তিনটি বিপ্লব ঘটে-ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯), জুলাই বিপ্লব (১৮৩০) ও ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (১৮৪৮)। ফরাসি বিপ্লব দিয়ে এই তিন বিপ্লবের পরম্পরা শুরু হয়। এ বিপ্লবে মাধ্যমে পশ্চিমা সভ্যতার ফ্রান্স রাজতন্ত্র থেকে গণতন্ত্র পথে চলতে শুরু করে। ১৭৮৯ সালে ফরাসিতে যে বিপ্লব দেখা যায়, তা কোনো আকস্মিক কারণে ঘটেনি। পঞ্চদশ লুইয়ের অষ্ট্রিয়ার