বাংলার বাদ্যযন্ত্র

বাংলার বাদ্যযন্ত্র – একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বাংলার বাদ্যযন্ত্র ও সঙ্গীত বাংলা সংস্কৃতির সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বাংলার বাদ্যযন্ত্র চার ভাগে বিভক্ত। (১) ততবাদ্য, (২) শুষিরবাদ্য, (৩) আনদ্ধ বাদ্য, ও (৪) ঘনবাদ্য। যেসব বাদ্যযন্ত্রে তার থেকে ধ্বনি উৎপত্তি হয় তাকে তত্‍বাদ্য বলে। এদের মধ্যে কিছু অঙ্গুলি, মিজরার দ্বারা আঘাতের ফলে ধ্বনির উৎপত্তি করে; যেমন- বীণা, সেতার, তানপুরা, সরোদ ইত্যাদি। অন্যগুলোতে ছড়ি বা ছড়

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ- অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ (শেষ ভাগ)

গ্রিক পুরাণের সহজপাঠ: অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ (শেষ ভাগ)

গ্রিক দেব-দেবীদের জন্ম ও বংশপরিচয়ঃ অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ গ্রিক পুরাণের সহজপাঠে পূর্বে আরো দুটি অধ্যায় রয়েছে। প্রথমটিতে গ্রিক পুরাণের আদিম দেব-দেবীগণ এবং দ্বিতীয়টিতে তিতান দেব-দেবীগণের পরিচয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আজকের এই শেষ পর্বে গ্রিক পুরাণের তৃতীয় প্রজন্ম তথা অলিম্পিয়ান দেব-দেবীদের পরিচয় তুলে ধরা হলো। গ) গ্রিক অলিম্পিয়ান দেব-দেবীগণ গ্রিক পুরাণের দেব-দেবীদের দ্বিতীয় ভাগে বলা হয়েছে, ক্রোনাস

আদ্রে মুনসন

আদ্রে মুনসন- ভাগ্যের পরিহাসে ভাগ্যবতী দেবী

আদ্রে মুনসন- এক ঝলকে জ্বলে নিভে যাওয়া এক নক্ষত্র। ভূগোলের ভাষায় “মৌসুমি বায়ু” বলে একটি বিষয় আছে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ মৌসুমি বায়ু প্রবাহের দিকও পরিবর্তিত হয়। এই মৌসুমি বায়ুর ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘মনসুন’ (Monsoon)। এটি মূলত আরবি শব্দ ‘মাওসিম’ (mawsim) থেকে এসেছে। আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম সুপার মডেলের নাম আদ্রে মুনসন (Audrey Munson)। আদ্রে মুনসনের

মানচিত্রে মহাভারত মহাকাব্যের স্থানসমূহ

মহাভারত মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্রাভিধান

মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ মহাভারত ও রামায়ণ মহাকাব্যের মতো হিন্দু পুরাণগুলোতে দুটি শক্তিশালী রাজবংশের পরিচয় পাওয়া যায়- সূর্য বংশ ও চন্দ্র বংশ। সূর্য বংশকে ঘিরে রামায়ণ আর চন্দ্র বংশকে ঘিরে মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রাবিধান তৈরী হয়েছে। তাই রামায়ণ ও মহাভারত মহাকাব্যের চরিত্রগুলো বোঝার জন্য সূর্যবংশ ও চন্দ্রবংশ সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। তবে সূর্য ও চন্দ্র

হরুসের চোখ

ডাক্তারের পেসক্রিপশনে Rx কী বোঝায়?

ডাক্তারের পেসক্রিপশনে লেখা Rx– বুৎপত্তি ও অর্থ ডাক্তারের পেসক্রিপশনে Rx লেখা প্রতীকটি আমাদের বেশ পরিচিত। ডাক্তারের যেকোন পেসক্রিপশন বা ব্যবস্থাপত্রের দিকে তাকালে এই শব্দ যুগল আমাদের চোখে পড়ে। কারো কারো মনে হয়তো কখনও এ প্রশ্নটি উঁকি দিয়েছে, কি এই Rx? Rx-এর R এর অর্থ ‘রেসিপি’ (recipe)। আদেশসূচক বাক্যের ক্রিয়া হিসেবে ‘রেসিপি’ বা R বোঝায় ‘এটা

সম্রাট হাম্মুরাবি

মেসোপটেমিয়া- চার সভ্যতার লীলাভূমি (২য় ভাগ)

মেসোপটেমিয়া- আসেরীয়-ব্যাবিলনীয়-হিটাইট-ক্যাসাইট-নব্য আসেরীয়- নব্য ব্যবিলনীয় আসেরীয় সাম্রাজ্য মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের দক্ষিণে ছিল সুমের অঞ্চল। সুমেরের উত্তরে ছিল আকেদ শহর। আকেদের উত্তর পূর্ব অঞ্চলে গড়ে ওঠে আরেকটি শহর। বর্তমান ইরাকের অন্তর্গত এ শহরের নাম ছিল আসুর। এই শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে আসেরীয় সাম্রাজ্য। এ সাম্রাজ্যের অনেক শাসকেরা আকেদীয় সাম্রাজ্যের শাসকের নামে নামকরণ করতো। সুমেরীয় সভ্যতার কাছাকাছি

চিত্রিত পাণ্ডলিপি

আদম ও হাওয়ার স্বর্গচ্যুতির শিল্পকর্ম

ধর্ম বিষয়ক চিত্রশিল্প শিল্প-সাহিত্য বিশেষ করে ইউরোপের প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় চিত্রকর্মে আদম ও হাওয়ার যথেষ্ট প্রভাব রয়ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন শিল্পকর্মে তাদের স্বর্গচ্যুতির ঘটনাকে চিত্রিত করা হয়েছে। সে সময়কার প্রায় সব চিত্রকর্মই খ্রিস্টধর্মীয় ধ্যান-ধারণাকে প্রতিফলিত করে। মধ্যযুগে খ্রিস্টাদের বিভিন্ন প্রার্থনা সংকলিত বই থাকতো। এদেরকে ‘সময় পুস্তক’ ( book of hours) বলা হতো। বইগুলোতে প্রার্থনার পাশাপাশি ধর্মীয়

পৃথিবীর গল্প: চীনে এগারো শত বছরের শাসনে দুই রাজবংশ

চীনা সভ্যতা- এগারো শত বছরের শাসনে দুই রাজবংশ

চীনা সভ্যতার ইতিহাসে শিয়া ও শাং রাজবংশ চীনা রূপকথা ও লোককাহিনীর তিন কিংবদন্তী ও পাঁচ সম্রাটের পরে প্রায় এগারো শত বছর (২০৭০-১০৪৬ খ্রিঃপূঃ) ধরে দুটি রাজবংশ চীন শাসন করে। এদের একটি শিয়া রাজবংশ, অন্যটি শাং রাজবংশ। শিয়া রাজবংশ পাঁচশো আর শাং রাজবংশ ছয়শো বছর ক্ষমতায় ছিলো।    পাঁচশো বছরের শিয়া (Xia) রাজবংশ (২০৭০–১৬০০ খ্রিঃপূঃ) ও

ফেসবুক, না টুইটার- ভেবে দেখার সময় এখনি

ফেসবুক, না টুইটার- ভেবে দেখার সময় এখনি

উন্নত দেশে ফেসবুক-এর চেয়ে টুইটার কেন জনপ্রিয় হচ্ছে? ২০১৬ সাল ছিল ফেসবুক-এর স্বর্ণযুগ। সে সময়ে বিশ্বের ৮৫ শতাংশের বেশি লোক ফেসবুক ব্যবহার করতো। তখন টুইটার ব্যবহার করতো মাত্র ৩ শতাংশ লোক। এর পরে চিত্রপট পাল্টাতে থাকে। সারা বিশ্বে একদিকে কমতে থাকে ফেসবুক ব্যবহার, অন্যদিকে বাড়তে থাকে টুইটারের ব্যবহার। বর্তমানে (মার্চ ২০২০) বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যববহারকারীদের

পৃথিবীর গল্প- চার সভ্যতার লীলাভূমি মেসোপটেমিয়া

মেসোপটেমিয়া-চার সভ্যতার লীলাভূমি (১ম ভাগ)

মেসোপটেমিয়া সভ্যতা: সুমেরীয়-আকেদীয়-গুটি-সুমেরীয় মেসোপটেমিয়া সভ্যতার উত্থান মেসোপটেমিয়া কোন একক সভ্যতা নয়। প্রাচীনকালে এখানে একে একে গড়ে ওঠে চার সভ্যতা-সুমেরীয়, আসেরীয়, ব্যাবিলনীয় ও ক্যালডেরীয় সভ্যতা। এদের মধ্যে সুমেরীয় সভ্যতা প্রথম গড়ে ওঠে। এর পরে মহান সারগন গড়ে তোলে আকেদীয় সাম্রাজ্য। আকেদীয়দের পরে গুটি শাসন। উতু-হেগেল ফিরিয়ে আনে সুমেরীয় শাসন। এর পরে উর-নাম্মু তৈরি করে পৃথিবীর প্রথম

ইসলামের প্রতীক সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা

ইসলামের প্রতীক- সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা

সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা প্রতীক-এর বুৎপত্তি বিভিন্ন ধর্মে বিভিন্ন প্রতীক ব্যবহার করা হয়। যেমন খ্রিস্টান ধর্মে ‘ক্রুশ’, হিন্দু ধর্মে ‘ওম’। ইসলাম ধর্মের প্রতীকী রূপ প্রকাশে অনেক সময় একটি সরু বাঁকা চাঁদ ও তারা ব্যবহৃত হয়। সরু বাঁকা চাঁদটিকে আরবিতে বলে ‘হিলাল’ আর হিলালের পেটের ভাঁজে থাকে এক বা একাধিক তারা। ৭ম শতকের শেষের দিকে

রামায়ণ মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্র অভিধান

রামায়ণ মহাকাব্যের সহজপাঠ- চরিত্র অভিধান

রামায়ণ মহাকাব্যের চরিত্র চিত্রণ রামায়ণ মহাকাব্য এক অসাধারণ সাহিত্য। বাংলা সাহিত্যে ও ভাষায় রামায়ণ মহাকাব্যের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। বাংলা ভাষার অমৃত সূধা পান করতে হলে রামায়ণ-এর মতো মহাকাব্য গুলোর চরিত্র ও ঘটনাবলী সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। রামায়ণ মহাকাব্যের কিছু চরিত্র সম্পর্কে আমাদের ধারণা আছে। তবে এ মহাকাব্যের অনেক চরিত্র সম্পর্কে আমাদের তেমন ধারণা নেই।

ওম প্রতীক-অর্থ ও ব্যাখ্যা

হিন্দু ধর্মের ‘ওম’ প্রতীক- অর্থ ও ব্যাখ্যা

ওম (ॐ) প্রতীক- বুৎপত্তি ও বিকাশ হিন্দু ধর্মের পবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক ॐ। উচ্চারণে ‘ওম’। বৌদ্ধ, জৈন ও শিখরাও ওম-কে পবিত্র জ্ঞান করে। হিন্দু মন্ত্র, প্রার্থনা ও ধ্যানের শুরুতে ও শেষে ওম উচ্চারণ করা হয়। যেহেতু এটি উচ্চারণ করে স্তব করা হয় তাই একে প্রণব বা ত্র্যক্ষর বলে। মন্দির, ঠাকুরঘর প্রভৃতি ধর্মীয় স্থানের প্রতীকচিহ্ন রূপেও

দাদাবাদী ডাচামের কবলে মোনালিসা

কলা, দাদা ও শিল্প

বাংলা ‘দাদাগিরি’ শব্দটির যে শৈল্পিক মূল‍্য আছে তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। দাদাগিরি বা দাদাবাদ নামে রীতিমত একটি শিল্প আন্দোলন আছে।

বাংলার লোকসঙ্গীত

বাংলার লোকসঙ্গীত- একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বাংলার লোকসঙ্গীত বাংলার মতোই প্রাঞ্জল। হাজার বছরের সংস্কৃতিকে আশ্রয় করে এ সঙ্গীত সম্ভার গড়ে উঠেছে। গীত, বাদ্য ও নৃত্য এই তিনের সমন্বিত রূপই হচ্ছে  সঙ্গীত। এদিক থেকে লোকগীতি, লোকবাদ্য ও  লোকনৃত্য এই তিনের সমন্বিত রূপকেই লোকসঙ্গীত বলা যায়। বাংলার লোকসঙ্গীত বৈচিত্র্যময়। মোটা দাগে বাংলায় ২৪ ধরণের লোকজ সঙ্গীতের অস্তিত্ত্ব পাওয়া যায়- (১) ভাওয়াইয়া গান, (২) ভাটিয়ালী গান, (৩) মারফতী

রত্নপাথর

রত্নপাথর বিদ্যা

সুখের পাশাপাশি মানুষের জীবনে দুঃখ রয়েছে। সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতা। জীবনে সবাই সুখী হতে চায়, সফলতা পেতে চায়। কিন্তু মানুষ ভাবে এক, আর হয় আর এক। এই নেতিবাচক পরিস্থিতিকে এড়াতে অনেক মানুষ জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করে। এ বিশ্বাসের হাত ধরে কেউ কেউ বিভিন্ন রত্নপাথর ব্যবহার করে। তবে রত্নপাথর ব্যবহারে ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে এমন বিশ্বাসের কোন বৈজ্ঞানিক

টিভি চ্যানেল দেশি কিন্তু বিজ্ঞাপন বিদেশি

টিভি চ্যানেল বিজ্ঞাপন নিয়ে কিছু কথা বলা যাক । অবিশাস্য হলেও সত্যি, বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত বিজ্ঞাপনের মাত্র ১৭ শতাংশ১ দেশি কোম্পানির বিজ্ঞাপন। বর্তমানে দেশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে যারা বেশি বিজ্ঞাপন প্রদান করছে তাদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ (PRAN-RFL) ও ওয়াল্টন গ্রুপ (Walton)। অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (BSRM), বসুন্ধরা গ্রুপ (Bashundhara), এডভান্সড

একুশের এস্তেঞ্জায় এলাকাঁড়ি

একুশের এস্তেঞ্জায় এলাকাঁড়ি

মার্চ এলেই স্বাধীনতার মাস, ডিসেম্বরে বিজয়ের মাস, তেমনিভাবে ফেব্রুয়ারি এলেই শুনি ভাষার মাস। একই সঙ্গে টেলিভিশনের (অপ্রচলিত বাংলায় দূরদর্শন!) পর্দার কোণে কোণে ভেসে ওঠে অ, আ, ক, খ বা শহীদ মিনারের প্রতিচ্ছবি। অতটা বুদ্ধিজীবী নই যে স্বাধীনতা, বিজয়—এসব নিয়ে কথা বলব। তবে গাঁও-গেরামের বাংলাভাষী হিসেবে এ ভাষা নিয়ে দু-একটি কথা না বললে যেন মনের মধ্যে

‘অশ্লীল’ বাংলা, ‘অমার্জিত’ বাংলা

‘অশ্লীল’ বাংলা, ‘অমার্জিত’ বাংলা

বাংলা ভাষা একুশের শ্রেষ্ঠ দান। “একটি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য বোমা ব্যবহার করার দরকার নেই, তাদের ভাষা ধ্বংস করে দেয়াই যথেষ্ট।” (নোয়াম চমস্কি) বাংলা ভাষার দীনতা- অপ্রতুলতা, অশুদ্ধতা, অপব্যবহার- নিয়ে কপচানোর সময় এসেছে। সুধীজন থেকে বিজ্ঞজন, বিশেষজ্ঞ যাদের হাতে সময় আছে তারা সবাই অন্তত একটি নিবন্ধ হলেও রচনা করবেন, পড়া হবে, আলোচনা-সমালোচনা-মতামত হবে: অতঃপর, ‘লাউ’, ‘কদু’

হিন্দুর ‘জল’ মুসলমানের ‘পানি’

ফেসবুকে ধর্মপ্রচার, না অপপ্রচার?

ফেসবুক ধর্মপ্রচার হয়, না কি অপপ্রচার? ঈশ্বর কী নিয়মিত ফেসবুকিং করেন? তাঁর কী কোনো ফেসবুক একাউন্ট আছে? যদি ফেসবুক একাউন্ট থাকে, তবে সেটির আইডি কী? আইডি জানা থাকলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতাম।  রিকোয়েস্ট একসেপ্ট না করলে ফলো করতাম।  বিষয়টি বুঝতে অনেক দেরী হলো। এতদিনে ঈশ্বর বোধ হয় আমাকে ব্লক করে দিয়েছেন। তবুও, ‘বেটার লেইট দ‍্যান নেভার’।

হ্যালোউইন

হ্যালোউইন

আমার ধারণা ছিল যে ভূত-প্রেতাত্মা শুধু বাংলাদেশ, ভারতের গ্রামাঞ্চলের মেধাস্বত্ত্ব। এখন তো দেখি ইউরোপ-আমেরিকার লোকজনও কম কুসংস্কারাচ্ছন্ন নয়। এদের বিশ্বাসে ভূত, ভ‍্যাম্পায়ার, ডাকিনী, জমবি (zombie) কোনোটারই কোনো ঘাটতি নেই। এরা ভূতে যে শুধু বিশ্বাস করে তা নয়, রীতিমত ভূতের পূজা-অর্চনা করে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার ব‍্যবসা করছে। পাশ্চাত‍্যে ভূতের এ  পূজা, এ ব‍্যবসার নাম

সামবা নৃত্য

সামবা নৃত্য

ব্রাজিলের সবচে বড় বাৎসরিক উৎসবের নাম কার্নিভাল। এটি মূলতঃ বিভিন্ন মুখোশ ও বাহারি পোশাকে সামবার তালে তালে নাচের প্যারেড। একই সাথে চলে অদম্য পানাহার ও উম্মত্ত ভালোবাসা বিনিময়ের অযাচিত বহিঃপ্রকাশ। খ্রিস্টধর্ম মতে জেরুজালেম শহরের কালভারি নামক স্থানে যিশু খ্রিস্টকে ক্রুশ বিদ্ধ করে হত্যা করা হয়। এই ক্রসিফিকেইশনের তৃতীয় দিনে যিশু খ্রিস্ট পুনরুত্থান লাভ করে। তাই

সে, তুমি সমকামি; মাঝখানে কেন আমি?

সে, তুমি সমকামি; মাঝখানে কেন আমি?

সমকামিতা নিয়ে তিনটি জোরালো বির্তক রয়েছে- (ক) সমকামিতা কি শারীরিক বা মানসিক রোগ? (খ) সমকামীতা-প্রকৃতিবিরুদ্ধ, না স্বাভাবিক? এবং (গ) সমকামিতা বা সমকামি সম্পর্ক/ বিবাহের বৈধতাদান কতটুকু যৌক্তিক? মোটাদাগে যৌনকামিরা তিন ধরণের- বিষমকামি (বা ‘স্ট্রেইট’), সমকামি ও উভকামি। এদের মধ্যে সমকামিরা আবার দুই ভাগে বিভক্ত- ‘গে’ (পুরুষে যৌনাসক্ত পুরুষ) ও ‘লেসবিয়ান’ (নারীতে যৌনাসক্ত নারী)। অন্যদিকে, উভকামিরা

কী সাপ দংশিল লখাইরে!

কী সাপ দংশিল লখাইরে!

সাপ নিয়ে যত কল্পকথা বেচারা সাপ! জন্মের পর থেকেই রূপকথা, উপকথা আর পৌরাণিক কাহিনীর হাতে বন্দি। বন্ধুত্বে সাপ আবার শত্রুতায় সাপ, ধর্মে সাপ আবার অধর্মেও সাপ- হলিউড থেকে ঢালিউড, কী প্রাচীন আর কী আধুনিক, সর্বকালের কল্প-কাহিনীতে সাপের অস্তিত্ত্ব রয়েছে। ইসলাম ধর্মে সাপের মুখে করে ইবলিশ বেহেশতে প্রবেশ করে, সনাতনে মাথায় সাপ পেঁচিয়ে বসে থাকেন শিব,

Alauddin Vuian

লও হে মা দিবস

মা দিবস প্রচলনের পেছনে যে মার্কিন মহিলার অবদান অনস্বীকার্য, সেই আনা জার্ভিস নিজে কোনদিন মা ছিলেন না। আনা ছিলেন সমাজকর্মী অ্যান রেভেস জার্ভিসের দশম সন্তান। মায়ের নারী সেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য সে বরাবরই অ্যানের অনুরক্ত ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে আনা নিবিড়ভাবে মায়ের সেবা-শশ্রূষা শুরু করেন। মায়ের মৃত্যুর তিন বছর পরে ১৯০৮ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার ভার্জিনিয়াতে তিনি